‘পলায়ন উদযাপনে’র বেলুন থেকে আগুন, বার্ন ইনস্টিটিউটে ১০ জন
ঘটনার সময় উদযাপন মঞ্চ ও আশপাশে হইচই শুরু হয়ে যায়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বেলুন ওড়ানোর সময় সৃষ্ট আগুনে ১০ জন দগ্ধ হয়েছে।
এদিন দুপুরে ‘৩৬ জুলাই উদযাপন’র অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয় ‘ফ্যাসিস্টের পলায়ন উদযাপন’ কর্মসূচি। সেখানে হেলিকপ্টার আকৃতির অনেকগুলো গ্যাস বেলুন ওড়ানোর সময় আগুন ধরে যায়। সেই আগুনে দগ্ধ হয়ে অন্তত দশজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন; তবে কারোর জখমই গুরুতর নয়।
দগ্ধরা হলেন- মাজহারুল ইসলাম (২৭), বিল্লাল (৪৫), ফাহাদ (২০), মুনসুর ইসলাম (৩৮), শরীফ (৩২), পলাশ (২১), হাবিবুল্লাহ (২৩), ইয়াসিন (২৫), মিশু (২৩) ও মিহাদ (১৭)।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান বলেন, “তাদের পোড়ার ক্ষত রয়েছে, তবে সবই মাইনর।”
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দুপুর সোয়া ২টার দিকে ‘স্বৈরাচারের পলায়নের’ প্রতীকী হেলিকপ্টার হিসেবে সবুজ রঙের বেলুন ওড়ানো হচ্ছিল। একগুচ্ছ বেলুন ওড়ানোর সময় আগুন ধরে যায়, তাতে সেখানে থাকা কয়েকজন দগ্ধ। এসময় বিদ্যুতের তারেও আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
তখন স্টেজে গান থামিয়ে সবাইকে সরে যেতে বলা হয়। এরপরই ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে অ্যাম্বুলেন্সে নিতে দেখা যায়। এদের মধ্যে একজনের বাম হাতে পোড়া জখম দেখা গেছে। এই আগুন খুবই অল্প সময় স্থায়ী হয়। এ সময় উদযাপন মঞ্চ ও আশপাশে হইচই শুরু হয়ে যায়।
দগ্ধ বিল্লাল হোসেন হাসপাতালে বলেন, “গত বছর এই দিনে শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে পালিয়ে যায়। গ্যাস বেলুনটি হেলিকপ্টারের মত তৈরি করা হয়েছিল।
“স্টেজের সামনে সেই গ্যাস বেলুন ওড়ানোর আগে টানাটানির সময় সেগুলো হঠাৎ ফুটে গিয়ে আগুন লেগে যায়।”
