সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেক মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যাপক জামাল
“জামিননামা কারাগারে পাঠানোর পর পল্টন থানার আরেকটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন আসে,” বলেন আসামির আইনজীবী।
পল্টন মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিনের পর এ থানারই সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনকে।
বুধবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকনুজ্জামান জানিয়েছেন।
গত ১১ মার্চ সকালে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট থেকে ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ কর্মসূচি পালনের সময় তাকে ধরে নিয়ে যায় পল্টন থানার পুলিশ। পল্টন মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সেদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলায় সম্প্রতি তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান।
এর আগে গত ১ অক্টোবর পল্টন মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেক মামলায় অধ্যাপক জামালকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন এ থানার এসআই মো. নুরুজ্জামান। আদালত শুনানির দিন রেখেছিল বুধবার। এদিন শুনানিকালে আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন। আসামিপক্ষের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার গ্রেপ্তার না দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন বিচারক।
জামাল উদ্দীনের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার বলেন, “জামিননামা কারাগারে পাঠানোর পর পল্টন থানার আরেকটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন আসে। আজ (বুধবার) তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হল।”
জালাম উদ্দীনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা থাকার কথা জানিয়েছেন খায়ের উদ্দিন শিকদার।
নতুন করে গ্রেপ্তার দেখানোর মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ মে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য, অর্থদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতারা ঢাকার গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম ও আশপাশের এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাতে জড়ো হন। সেসময় পুলিশ সদস্যরা বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেইটের বিপরীত পাশে হোটেল ইম্পেরিয়ালের সামনে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করেন। এসময় ১৪০ থেকে ১৫০ জন বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যায়। সেদিনই পল্টন মডেল থানা সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
