০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কবি, নাট্যকার ও সংস্কৃতিকর্মী। জন্ম ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনীতি বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকত্তোর। কাজ করেন দেশের শীর্ষস্থানীয় থিয়েটার গ্রুপ আরণ্যক নাট্যদলে। পেশাগত জীবনে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত। কবিতা আর নাটক লেখার পাশাপাশি রাজনীতি ও সংস্কৃতি বিষয়ক গদ্য এবং গবেষণায় তার বিশেষ ঝোঁক রয়েছে। প্রকাশিত বই: ঘুমের প্রেসক্রিপশন (কবিতা), ট্রেঞ্চে ফিরে তাকদুম (কবিতা), রবীন্দ্রনাথ এন্ড কোম্পানি (নাটক), উনপুরুষ (নাটক), গৈরিক তাড়ৃয়ার তান (গল্প), দ্রোহ দাহ স্বপ্নের মামুনুর রশীদ (সম্পাদনা), আরণ্যকের নাট্যচর্যা: সৃজনে সংগ্রামে নন্দনে (গবেষণা)। এছাড়াও গারদ (শিল্প-সাহিত্যের ছোটকাগজ), ক্ষ্যাপা (থিয়েটার বিষয়ক পত্রিকা) ও ক্যাওস (শিল্প-সাহিত্যের ওয়েবজিন) সম্পাদনা করেন।
একদিকে নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, কাশফুল বিলীন হচ্ছে; অন্যদিকে গান থেমে যাচ্ছে, নাটক বন্ধ হচ্ছে, উৎসব হারাচ্ছে রং—উভয় ক্ষেত্রেই দায়ী মানুষের নিয়ন্ত্রণলিপ্সা।
রাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অযাচিত নিয়ন্ত্রণ ও ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ সংস্কৃতিকে মূলধারার পরিবর্তে অতিরিক্ত দায়িত্বে পরিণত করতে চলেছে।
বাউল ও লালনচর্চা যখন অবরুদ্ধ হতে যাচ্ছে, যখন সবচেয়ে বেশি দরকার ছিল তার মতো শিল্পীর, তখনই তিনি চলে গেলেন চিরতরে।
নাগরিকদের জীবনযাত্রার স্বস্তি রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু শুটিং বন্ধ করে সাংস্কৃতিক চর্চা দমিয়ে রাখা গ্রহণযোগ্য নয়। সুষ্ঠু পরিকল্পনা, শৃঙ্খলা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান জরুরি—যেখানে নাগরিক, প্রশাসন, নির্মাতা ও শিল্পী সকল পক্ষই দায়িত্বশীল থাকবেন।
হোলি আর্টিজান এক ভয়াল জঙ্গি হামলার স্মৃতি। নয় বছর পর সেই জঙ্গিবাদকে পুলিশ বলছে ‘নাটক’, আর ওই হামলার ভিত্তিতে নির্মিত ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমার মুক্তি নিয়ে সবাই নীরব—যখন এর নির্মাতা নিজেই অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা।