Published : 19 May 2013, 12:50 PM
রোববার বিকেলে রাজগঞ্জ বাজার থেকে কামরুল হাসানকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাজগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি খন্দকার গোলাম শাহ নেওয়াজ জানান, গ্রেপ্তারের পর কামরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মামলার এজাহারভূক্ত আসামি না হলেও তদন্তে ঘটনার সাথে কামরুলের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানান ওসি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডের রায় দেয়।
এ রায় প্রত্যাখ্যান করে ওই দিন থেকেই জামায়াত-শিবির সারাদেশে লাগাতার তান্ডব শুরু করলে সাত পুলিশ সদস্যসহ ৬৭ জনের প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজগঞ্জ ইউনয়নের বিভিন্ন গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় ৪৫ জনের নামোল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো এক হাজারের অধিক লোককে আসামি করে বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।
পরবর্তীতে মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।