Published : 18 May 2013, 06:39 PM
শনিবার বিকালে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিউটশনে বিবিসি বাংলাদেশের সংলাপে প্যালেন আলোচক হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান বলেন, “আমরা আমাদের দায়ভার গ্রহণ করে সংসদে যোগ দিচ্ছি। শেষ চেষ্টা করে সবাই মিলে দেশকে রক্ষা করা দরকার।”
তবে এবার বিরোধী দল সংসদে যোগদানের বিষয়টিকে অনৈতিক বলে মনে করছেন হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “বিরোধী দল তাদের বেতনভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের জন্য সংসদে যোগ দিচ্ছে।”
অন্যদিকে রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংলাপের গতিবেগ ঝিমিয়ে পড়ছে মন্তব্য করেন মোরশেদ খান।
তিনি বলেন, “রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সংলাপের গতিবেগ অনেক ঝিমিয়ে গেছে।”
সংলাপের মাধ্যমে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বসে হানাহানি ও সাংঘর্ষিক রাজনীতির ইতি টানবে মন্তব্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “এতে দুই দলের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে। সরকার যদি সংলাপের দরজা বন্ধ করেও দেয়, তবে এর জানালা যেন খোলা রাখে।”
পক্ষান্তরে হাছান মাহমুদ বলেন, “সরকার সংলাপের বিষয়ে পিছিয়ে যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে সংলাপে আহ্বান করলেও বিরোধীদলের নেতা ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। বিরোধী দল হানাহানি ও ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য রাজনীতি করছে।”
আওয়ামী লীগ ‘দলীয় ফোরামে বিরোধীদলকে সংলাপের বিষয়ে চিঠি দেয়া হবে না’ এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানান তিনি।
সংলাপের বিষয়ে এখনও শুধু জানালাই নয়, এর দরজাও খোলা আছে বলেও জানান হাছান।
সংলাপের অপর প্যানেল সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক আ ন ম মুনির আহমেদ চৌধুরীর প্রত্যাশা, সংলাপের মাধ্যমে দেশে শাস্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
আর জামায়াত-হেফাজত ছাড়া বিরোধী দল সংলাপে এলে এ সংলাপ ফলপ্রসু হবে বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি নুরজাহান খান।
আকবর হোসেনের উপস্থাপনায় সংলাপে প্রশ্ন রাখা হয়- আগামী সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের যোগ দেয়া কতটুকু নৈকিতভাবে সমথর্নযোগ্য।
বিবিসি বাংলা ও বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন যৌথভাবে আয়োজিত বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে বেশ কয়েকজন দর্শক প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন।
এতে দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আদৌ নিরাপত্তায় আছে কি না এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।