২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

দুই দফায় মুখোমুখি বিতর্ক করবেন বাইডেন-ট্রাম্প

নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হোয়াইট হাউজ কার দখলে যাবে তার নির্ধারক হয়ে উঠতে পারে এ দুই বিতর্ক।

বিডিনিউজ২৪

রয়টার্স

Published : 16 May 2024, 09:01 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:35 AM

আগামী ২৭ জুন এবং ১০ সেপ্টেম্বরে দুই দফায় মুখোমুখি বিতর্ক করতে সম্মত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার রিপাবলিকান প্রতিপক্ষ সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হোয়াইট হাউজ কার দখলে যাবে তার নির্ধারক হয়ে উঠতে পারে অনুষ্ঠেয় এই দুই বিতর্ক।

এ বিতর্কের প্রসঙ্গে বাইডেন সোশ্যাল মিডিয়ার এক পোস্টে বলেছেন, “আপনার (ট্রাম্প) কথামত- যে কোনও সময়, যে কোনও জায়গায়।

ওদিকে, ট্রাম্প বাইডেনকে নিজের দেখা ‘সবচেয়ে খারাপ বিতার্কিক’ আখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, “ধাউড় জো এর সঙ্গে জুন ও সেপ্টেম্বরে প্রস্তাবিত দুটি বিতর্ক করতে আমি ইচ্ছুক এবং প্রস্তুত।”

 সিএনএন এর ওয়ার্নার ব্রোস ডিসকভারি বিভাগ জানিয়েছে, প্রথম বিতর্কটি তাদের আটলান্টা স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন উপস্থাপক জ্যাক ট্যাপার ও ডানা ব্যাশ। তবে এই বিতর্ক অনুষ্ঠানে কোনও দর্শকশ্রোতা উপস্থিত থাকবে না। 

গণমাধ্যম এবিসি থেকেও আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বাইডেন এবং ট্রাম্প। সেখানে অনুষ্ঠিত হবে ১০ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় বিতর্ক। 

এছাড়া, রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনের পর জুলাইয়ে আলাদাভাবে আরেকটি ভাইস প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্ক অনুষ্ঠানেরও প্রস্তাব রয়েছে।

বিতর্ক নিয়ে বাইডেন এবং ট্রাম্প ভিন্ন ভিন্ন শর্ত দিয়েছেন। ট্রাম্প চান, বড় হলরুমে বিতর্ক হোক যাতে তা অনেক বেশি প্রাণবন্ত হয়। তিনি দু’টির বেশি বিতর্ক করারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, বাইডেন চান কড়া নিয়মবিধির মধ্য দিয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠান করতে, যাতে বিতর্কের মাঝে বাধাবিঘ্ন কম ঘটে।

ওদিকে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী দৌড়ের স্বতন্ত্র প্রার্থী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র এক্সে নতুন এক পোস্টে বলেছেন, ২০ জুনের আগে তিনি সিএনএন আয়োজিত প্রথম বিতর্কে অংশ নেওয়ার সব শর্ত পূরণ করবেন। তবে তিনি বিতর্কে যোগ্য বিবেচিত হবেন কি না তা নিশ্চিত নয়।

ট্রাম্প এবং বাইডেনের বিতর্ক দুটি যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচার করা হবে, যা সরাসরি দেখবেন লাখো দর্শক। দুই প্রার্থীর জন্যই এ বিতর্কে ঝুঁকি আছে।

বাইডেনের সহযোগীরা মনে করেন, এ দুই বিতর্কের মাধ্যমে গর্ভপাতসহ বিভিন্ন বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান প্রকাশ হয়ে রাজনৈতিকভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হতে পারে। অন্যদিকে, ট্রাম্পের সহযোগীরা মনে করেন, ৮১ বছর বয়সী বাইডেন মুখ ফস্কে যেসব ভুল কথা বলে ফেলেন তা তার বয়স নিয়ে ভোটারদের উদ্বেগ আরও বাড়াবে। 

প্রথম বিতর্ক অনুষ্ঠানের সময় ট্রাম্পেরও বয়স হবে ৭৮। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যালান শ্রোডার বলেছেন, “বয়সের কারণে বাইডেন ও ট্রাম্প দুইজনই আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে বেশি পরীক্ষার মুখে থাকবেন। কারণ, বিতর্ক এমন এক মুহূর্ত যেখানে অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে না।”