২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

লিসবনের রেলওয়ে কেবল কার দুর্ঘটনায় নিহত ১৫

নিহতদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশি নাগরিক আছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিন্তু তারা কোন দেশের নাগরিক তা প্রকাশ করা হয়নি।

লিসবনের রেলওয়ে কেবল কার দুর্ঘটনায় নিহত ১৫
লিসবনের গ্লোরিয়া ফানিকুলার রেলওয়ে কেবল কার দুর্ঘটনাস্থলে কাজ করছেন জরুরি পরিষেবার কর্মীরা। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Sep 2025, 10:12 AM

Updated : 26 Aug 2026, 02:14 PM

পতুর্গালের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর লিসবনের গ্লোরিয়া ফানিকুলার রেলওয়ে কেবল কার দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন। 

জরুরি মেডিকেল পরিষেবার এক মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বুধবার ওই রেলওয়ে কেবল কার লাইনচ্যুত হয়ে বিধ্বস্ত হলে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।   

রয়টার্স জানিয়েছে, লিসবন শহরের অন্যতম প্রতীক হয়ে ওঠা এই কেবল কার পর্যটকদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। 

ওই মুখপাত্র জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশি নাগরিক আছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কিন্তু তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়নি এবং তারা কোন দেশের নাগরিক তাও প্রকাশ করা হয়নি। 

লিসবনের মেয়র কার্লস মোয়েদাস সাংবাদিকদের বলেছেন, “এটি আমাদের শহরের জন্য দুঃখের একটি দিন। লিসবনে শোক বিরাজ করছে। এটি শোচনীয়, শোচনীয় একটি ঘটনা।”  

পর্তুগাল সরকার বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালনের ঘোষণা দিয়েছে। 

ঘটনাস্থল থেকে আসা ভিডিও ফুটেজের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রামের মতো দেখতে হলুদ ফানিকুলার বিধ্বস্ত হয়ে আছে। জরুরি বিভাগের কর্মীরা ভেঙেচুরে পড়া ফানিকুলারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে লোকজনকে বের করছে। 

লিসবনের গ্লোরিয়া ফানিকুলার রেলওয়ে কেবল কারের দুর্ঘটনাস্থল। ছবি: রয়টার্স 

লিসবনের গ্লোরিয়া ফানিকুলার রেলওয়ে কেবল কারের দুর্ঘটনাস্থল

এই ফানিকুলারগুলো পর্তুগালের রাজধানীর একটি ঢালু পাহাড়ি পথে লোকজনকে উপরে ও নিচে বহন করে নিয়ে যায়। 

পতুর্গালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো দে সুজা এক বিবৃতিতে শোচনীয় এই দুর্ঘটনার জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, কর্তৃপক্ষ তা শিগগিরই উদ্ঘাটন করবে বলে বিবৃতিতে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। 

পুলিশের তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সবকিছু খতিয়ে দেখছেন। 

১৮৮৫ সালে উদ্বোধন হওয়া এই কেবল রেলওয়ে লাইনটি রেস্তোরাডোরস স্কয়ারের কাছে লিসবনের কেন্দ্রস্থলের সঙ্গে পাহাড়ের উপরের বাইরো আল্টোকে (আপার কোয়ার্টার) সংযুক্ত করেছে। বাইরো আল্টো তার প্রাণবন্ত নৈশজীবনের জন্য বিখ্যাত।  

লিসবন মিউনিসিপ্যাল পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি ক্যারিস এই ফানিকুলার লাইনগুলো পরিচালনা করে। তিন লাইনের মধ্যে একটিতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এই লাইনগুলো পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও ব্যবহার করেন।