২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইউজারনেইমের ব্যবহার পরিচিত বিষয় হলেও হোয়াটসঅ্যাপের ক্ষেত্রে এ রূপান্তর বেশ ধীরগতির ছিল।
বন্ধু-বান্ধব, পরিবার বা হোয়াটসঅ্যাপের বড় কমিউনিটির কাছে নিজের পরিচয় কেমন হবে তা নিশ্চিত করতে এরইমধ্যে মানুষের মধ্যে পছন্দের নাম বেছে নেওয়ার তাগিদ শুরু হয়েছে।
ভারত সরকারের আশঙ্কা, এতে প্রতারকরা ব্যক্তি, সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিল রেখে ইউজারনেইম তৈরি করলে পরিচয় জালিয়াতির ঘটনা বাড়তে পারে।
সবাই যাতে নিজের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ইউজারনেইমটি বেছে নেওয়ার সুযোগ পান, সে জন্য আগেভাগেই নাম সংরক্ষণের সুবিধা চালু করা হচ্ছে।
এ ফিচারের মাধ্যমে মেসেজটি যাকে পাঠানো হয়েছে তিনি একবারই তা খুলে পড়ার সুযোগ পারেন এবং পরপরই তা চিরতরে মুছে যাবে।
মেটার একজন মুখপাত্র বলেছেন, সাম্প্রতিক এ ফিশিং আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল জর্ডান ও লেবাননের ১০ জনেরও কম হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী।
“কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া সরকারের ইন্টারনেট খুলে দেওয়ার কোনো কারণই নেই। আমরা একে বলি ‘ফিল্টারনেট’, যা কোনো স্বাধীনতার লক্ষণ নয়।”
ফিচারটি চালু থাকলে ব্যবহারকারী ও এআইয়ের আলাপ মনিটর করা হবে না এবং চ্যাটিং শেষ হওয়ার পর আগের সব কথা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে।