২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
পৃথিবী কেবল উষ্ণই হচ্ছে না, বরং এই উষ্ণ হওয়ার গতিও বেড়ে যাচ্ছে, যা জলবায়ু সংকট ঠেকানোর সময়সীমাকে আরও কঠিন করে তুলছে।
“পৃথিবীতে এ পর্যন্ত জন্মানো ১০ হাজার কোটি মানুষের অভিজ্ঞতা, হিংস্র প্রাণীর হাত থেকে বাঁচার লড়াই ও বিজ্ঞান শেখার দীর্ঘ প্রক্রিয়ার ফসল হলেন আপনি।”
চীন গড়ে তুলেছে বিশ্বের বৃহত্তম নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থা। ১৪তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কালে দেশটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে রেকর্ড অগ্রগতি অর্জন করেছে।
বেজোস বলেছেন, “বড় আকারের বিভিন্ন ডেটা সেন্টার মহাকাশে তৈরি করাই ভালো। কারণ সেখানে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন সৌরশক্তি পাওয়া যায়।”
গবেষকরা বলছেন, এসব যন্ত্র বাতাসে ভেসে থাকতে পারে ও এতে সেন্সর বসিয়ে জলবায়ু পর্যবেক্ষণ করা যায়। এগুলো মঙ্গল গ্রহে অনুসন্ধানের কাজেও লাগতে পারে।
টেসলা সৌরশক্তি ও ব্যাটারি বানানোর কাজও করে। টেসলার বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইসেন্সের আবেদন পর্যালোচনা করতে সর্বোচ্চ নয় মাস সময় নিতে পারে অফজেম।
যন্ত্রটি সূর্যের আলোকে ধারণ করে ও জ্বালানি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক বিক্রিয়াকে শক্তি দিতে তা তাপে পরিণত করে।
“এসব চুল্লি অনেক বড় আকারে তৈরি করি তাহলে একসঙ্গে দুটি সমস্যার সমাধান করা সম্ভব- বাতাস থেকে সিওটু কমানো ও জীবাশ্ম জ্বালানির একটি পরিবেশবান্ধব বিকল্প তৈরি।”