২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
নব্বইয়ের দশকে নির্মিত সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে নাজুক অবস্থায় থাকলেও ভারী যান চলাচল বন্ধে কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
হাজার ফুটের বেশি উঁচুতে হংকি সেতুটি এত দ্রুত তৈরি হওয়ায় এ নিয়ে অনেকেই চিন্তিত ছিলেন। কাছাকাছি জলবিদ্যুৎ বাঁধের দিকেও ইঙ্গিত করেছেন কেউ কেউ।
“খাল পরিষ্কার থাকায় অধিক গতিতে বেশি পানি নামছিল; কিন্তু খালের চেয়ে কম চওড়া সেতুর অংশে পানি স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হতে পারছিল না,” বলেন প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।
ভারি বৃষ্টিতে বৃহস্পতিবার ভোরে ধসে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরীর একটি খালের উপর থাকা সেতু। ২ নম্বর গেইট থেকে অক্সিজেনমুখী বায়েজিদ বোস্তামি সড়কের স্টারশিপ এলাকায় শীতল ঝর্ণা খালের উপর ছিল এ সেতু।
ভারি বৃষ্টিতে ধসে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরীর একটি সেতু, এর ফলে সড়কের একপাশে যান চলাচল বন্ধ থাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।
সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত নগরীতে ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আমবাগান আবহাওয়া অফিস।
“এটি বহু বছরের পুরনো ইটের তৈরি সেতু। পানির চাপে সেতুটি ভেঙে গেছে।”
মহারাষ্ট্রে পুনের কাছাকাছি অবস্থিত জনপ্রিয় পর্যটন স্থান কুন্দমালায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সেতু ধসের সময় সেখানে বহু মানুষ ছিলেন।