২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
এক হাজার ৩০০ কোটি বছরের পুরানো সুপারনোভা আবিষ্কারের নেপথ্য টেলিস্কোপটিকে টেনে নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়াই এ উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য।
২০২৫ সালের এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল, ডার্ক এনার্জি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ গতিকে বাড়ানো বন্ধ করে দিয়েছে।
নিউট্রিনো যে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অনায়াসে চলে যেতে পারে। বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো অজান্তেই মানুষের দেহের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে।
সুপারনোভা বিশালাকার তারার জীবনের শেষ মুহূর্তের এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণ এবং মহাকাশের অন্যতম উজ্জ্বল ঘটনা, যা সূর্যের চেয়ে প্রায় একশ কোটি গুণ বেশি উজ্জ্বল।
সাধারণত কোনো তারার বিবর্তন ঘটতে শত কোটি বছর সময় লাগে। মানুষের আয়ুষ্কালের মধ্যে আমরা কেবল আকস্মিক ও প্রচণ্ড ঘটনাগুলোই দেখতে পাই।
এ অঞ্চলে গ্যাস ও ধূলিকণার ঘন মেঘ রয়েছে, যেখানে হাইড্রোজেনের আধিক্য বেশি। তবে এখানকার তাপমাত্রা অসম্ভব শীতল, যা ‘পরম শূন্য’ তাপমাত্রার সামান্য ওপরে।
গত এক দশকে বিজ্ঞানীরা এক ডজনেরও বেশি এমন আলোর দেখা পেলেও এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে তাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে।
এমনটি ঘটেছে আমাদের সূর্যের ভরের প্রায় ১৫ গুণ এক তারায়। পৃথিবী থেকে প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে হাইড্রা তারামণ্ডল বরাবর এই ছায়াপথ।