০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সুপারনোভা বিশালাকার তারার জীবনের শেষ মুহূর্তের এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণ এবং মহাকাশের অন্যতম উজ্জ্বল ঘটনা, যা সূর্যের চেয়ে প্রায় একশ কোটি গুণ বেশি উজ্জ্বল।
সাধারণত কোনো তারার বিবর্তন ঘটতে শত কোটি বছর সময় লাগে। মানুষের আয়ুষ্কালের মধ্যে আমরা কেবল আকস্মিক ও প্রচণ্ড ঘটনাগুলোই দেখতে পাই।
এ অঞ্চলে গ্যাস ও ধূলিকণার ঘন মেঘ রয়েছে, যেখানে হাইড্রোজেনের আধিক্য বেশি। তবে এখানকার তাপমাত্রা অসম্ভব শীতল, যা ‘পরম শূন্য’ তাপমাত্রার সামান্য ওপরে।
গত এক দশকে বিজ্ঞানীরা এক ডজনেরও বেশি এমন আলোর দেখা পেলেও এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে তাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে।
এমনটি ঘটেছে আমাদের সূর্যের ভরের প্রায় ১৫ গুণ এক তারায়। পৃথিবী থেকে প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ আলোকবর্ষ দূরে হাইড্রা তারামণ্ডল বরাবর এই ছায়াপথ।
এই প্রথম সরাসরি এমন একটি তারাকে শনাক্ত করা গেছে যেটি সুপারনোভা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। নতুন অনেক গবেষণার পথ খুলে দিয়েছে এ আবিষ্কার।
অতীতে পৃথিবীতে আকস্মিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণ ছিল এসব মহাজাগতিক বিস্ফোরণ বিশেষ করে সুপারনোভা এবং ভবিষ্যতেও এমনটি আবার ঘটতে পারে।
প্রথম ছায়াপথের সময়ে যদি পানি গঠিত হতে পারে তাহলে কোটি কোটি বছর আগে তৈরি বিভিন্ন গ্রহের প্রাথমিক বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে পানি।