২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
তবে সালিশের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা। তিনি বিদ্যালয়ে আর ফিরতে চান না বলে জানিয়েছেন।
শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহিবুল ইসলাম সুজন বলেন, “আমি চেয়ার থেকে উঠতে উঠতেই আমার সামনেই ঘটনাটি ঘটে।”
রাতে আলগী ইউনিয়নের সোনাখোলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ওই কিশোরীকে নোয়াখালী থেকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দিয়েছিল পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গুরুতর আহত অবস্থায় একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ বলছে, কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এক পক্ষ অপর পক্ষকে ধাক্কা দেয়।
পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার জন্য বাড়ির লোকজন ইউপি সদস্য আব্দুল জোব্বারকে ডেকে আনেন।