০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১
এসব অ্যাকাউন্টে ৫ কোটি ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৮৫ টাকা রয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাজ্যকে এখনো ‘সন্দেহজনক বিনিয়োগের প্রধান গন্তব্য’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সিআইডি বলছে, ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সাইফুজ্জামান চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং আরব আমিরাতে ৬২০টি বাড়ি কেনেন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪৮ কোটি ডলার।
এর মধ্যে যুক্তরাজ্যে ৩৪৩টি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২২৮টি এবং যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে ৯টি সম্পত্তি রয়েছে।
দুজনের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।
ব্যাংকগুলোকে এ নির্দেশনা পাঠিয়ে আনিসুজ্জামান চৌধুরী ও স্ত্রী-কন্যার ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানির লেনদেন ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করতে বলা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিপুল সম্পদের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরও দুদক অনুসন্ধান না করায় এ আবেদন করা হয়।