০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরেও বৃহত্তর ময়মনসিংহের গারো, হাজং, কোচদের দিন কাটছে আতঙ্ক নিয়ে। অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের যে স্বপ্ন আমরা দেখি, তা কি এই আদিবাসী জনপদকে বাদ দিয়ে আদৌ সম্ভব?
সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ জাতিসংঘ ঘোষিত আদিবাসী বিষয়ক ঘোষণাপত্রে সইয়ের আহ্বানের মধ্যে দিয়ে শনিবার খাগড়াছড়িতে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। কর্মসূচি থেকে দাবি আদায়ে আগামীতে ‘কঠোর’ আন্দোলনের হুঁশিয়ার দেওয়া হয়।
আর্ন্তজাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে শনিবার খাগড়াছড়িতে র্যালি-সমাবেশ করে আর্ন্তজাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপন কমিটি।
একের পর এক প্রকল্পের নামে আসছে উন্নয়নের ঢেউ, আর এই ঢেউয়ে ডুবে যাচ্ছে আদিবাসীদের অস্তিত্ব। তাদের অনুমতি না নিয়ে বন উজাড়, বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া, জমি দখল করা এখন যেন রুটিন প্রশাসনিক কাজ।
পাহাড়ের ভূমি দখল, সমতলের উচ্ছেদ—সব মিলিয়ে বাংলাদেশের আদিবাসীরা সবসময়ই অবহেলা ও নিপীড়নের শিকার। ৫ অগাস্ট-পরবর্তী সময়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। সমাধান? আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের দাবিতেই রয়েছে মুক্তির চাবিকাঠি।