২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বিরোধী দল আলোচনা চাইলেও দুই বিলই কণ্ঠভোটে পাস; বিরোধী দল ‘হ্যাঁ’ ভোট না দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন চিফ হুইপ।
“আমাদেরকে সংশোধিত অধ্যাদেশের একটি খসড়াও দেখানো হয়েছে। কিন্তু সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট আকারে প্রকাশ করার আগ পর্যন্ত স্বস্তি প্রকাশ করার কারণ নেই,” বলেন এক নেতা।
কর্মচারীদের দাবি ছিল অধ্যাদেশ পুরোপুরি প্রত্যাহার করা। তা না করে সরকার আগের অধ্যাদেশ সংশোধন করল।
সচিবালয়ে আন্দোলনরত কর্মচারীরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করার পর চলমান কর্মসূচিগুলোতে লোক সমাগম কমে গেছে। রোববার সকালে সচিবালয়ের ভেতরে মিছিল করেন মাত্র কয়েকজন কর্মচারী; তাদের অভিযোগ “আন্দোলনে থাকা এই সরকারের প্রেতাত্মারা মালটাল খেয়ে এখন মুখ বন্ধ করে ঘরে (অফিসে) বসে আছে।”
“আমাদেরকে আলোচনা প্রক্রিয়ায় রাখা হচ্ছে না, আমরা কোনো সংশোধন মানিনা। আমরা এই অধ্যাদেশ বাতিল চাই।”
“আমরা সংশোধন মানি না। এই কালো আইন বাতিল করতে হবে। সারা বাংলাদেশ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। তারা বলছে এই আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামবে।”
“চেয়ারে বসে বড় বড় কথা বলেন, উল্টা পাল্টা কথা বলেন। দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করেন। আপনাদের উদ্দেশ্য কী,” বলেন সেলিম।
সরকারি চাকরি আইন সংশোধন অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ের বিক্ষোভ করেছেন কর্মচারীরা। তারা বলছেন অন্তর্বর্তী সরকার তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। অবিলম্বে আইনটির বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে বিভাগীয় কর্মসূচির হুঁশিয়ার দিয়েছেন কর্মচারীরা।