২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
একদিকে নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, কাশফুল বিলীন হচ্ছে; অন্যদিকে গান থেমে যাচ্ছে, নাটক বন্ধ হচ্ছে, উৎসব হারাচ্ছে রং—উভয় ক্ষেত্রেই দায়ী মানুষের নিয়ন্ত্রণলিপ্সা।
"বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা সাপেক্ষে শরৎ উৎসব ১৪৩২ এর অনুমতি বাতিল করা হয়।"
“প্রকৃতির যে নানা রূপ, তার সম্পর্কে আমাদের নবীনদের ধারণা পেতে এ ধরনের প্রকৃতি বন্দনার আয়োজন আরো হওয়া উচিত,” বলেন শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়।
“আয়োজকদের একজন 'ফ্যাসিবাদের দোসর'—এমন একটি অভিযোগের পর 'বিশৃঙ্খলা এড়াতে' আমরা শুক্রবারের জন্য যে বরাদ্দটি দিয়েছিলাম, তা স্থগিত করেছি।”
উপ-পুলিশ কমিশনার (ওয়ারী বিভাগ) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গেন্ডারিয়াতে শরৎ উৎসব করার ব্যাপারে কোনো পূর্ব-অনুমতি নেওয়া হয়নি।”
“আমরা গেন্ডারিয়ায় কচিকাঁচার মেলার মাঠে শরৎ উৎসব করব,” বলেন সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠীর মানজার চৌধুরী।
"শুভ্র আকাশের যে শরৎ, তার মতো করে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে,” বলেন এহসান মাহমুদ।
ঋতুর পরিক্রমায় এখন চলছে শরৎকাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় শুক্রবার ‘শরৎ উৎসব ১৪৩২’ আয়োজন করে ষড়ঋতু উদযাপন জাতীয় কমিটি।