০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
লালমনিরহাটে তামাকের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ হয়ে চাষিরা। আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী বাজারে লোকসানের মুখে কেউ পুড়িয়ে ফেলছেন তামাক, কেউ প্রকাশ্যে ‘তওবা’ করে তামাক চাষ ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছেন।
এ বছর কুমিল্লায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৫০০ হেক্টর। তবে আলু চাষ হয়েছে ৮ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতে সংস্কারের অভাবই ধারাবাহিক লোকসানের কারণ।
“বর্তমানে ফরিদপুরের বাজারগুলোতে পাইকারি পেঁয়াজের দর রয়েছে মণ প্রতি এক হাজার একশ থেকে এক হাজার ২৫০ টাকা পর্যন্ত।”
“হরিরামপুর উপজেলায় পেঁয়াজ রোপণের লক্ষ্যমাত্র দুই হাজার ৮৩০ হেক্টর হলেও রোপণ করা হয়েছে তিন হাজার ৩০০ হেক্টরের মত।”
চাষিরা বলছেন, প্রতি কেজি আলুর উৎপাদনে ২৪ টাকা খরচ হলেও বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ১৬ টাকায়। এতে চরম লোকসানে পড়ছেন তারা।
অথচ গতবছর একই সময়ে ব্যাংকটি কর পরবর্তী নিট মুনাফা করেছিল ৯৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।
জুন পর্যন্ত ছয় মাসে এক হাজার কোটি টাকার বেশি লোকসান দিয়েছে ব্যাংকটি। এই অঙ্ক আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি।