২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
ইতিহাস যখন বর্তমানের মুখোমুখি! শান্তি কমিটি, রাজাকার আর আলবদরের নৃশংসতা কি কেবলই অতীতের গল্প, নাকি বর্তমান রাজনীতিরও এক বড় সতর্কবার্তা?
“পাকিস্তানি আর্মির ক্যাম্পের বাঙ্কারগুলো চেক করতে গিয়ে বুকের ভেতরটা খামচে ধরে। দেখি, প্রতিটি বাঙ্কারে বাঙালি নারী। সবাই বিবসন অবস্থায়। রাজাকাররা তাদের ধরে এনে ওই ক্যাম্পে দিয়েছে। নির্যাতনে প্রত্যেকের দেহ ক্ষত-বিক্ষত।”
মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় জেনে পাকিস্তানের এমপি যে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলেন, তা এখনো ভুলতে পারেন না, বলেন তিনি।
ব্যানারে থাকা ব্যক্তিদের ছবির দিকে রিকশাচালক ও পথচারীসহ অনেকে জুতা নিক্ষেপ করেন।
“স্বাধীন দেশ যারা চায়নি, তারা কীভাবে এ দেশটার মঙ্গল চাইবে? শহীদ পিতার হত্যাকারী হিসেবে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তাদের ঘৃণা করব।”
"জামায়াতের আত্মবিশ্বাস ভাঙতে পেরেছি, কারণ মানুষ তাদের হারাবেই, সেটা যেকোনো দিন, যেকোনোভাবেই হোক," বলেন ছাত্র ইউনিয়নের অনয়।
পাঠ্যবই থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দ ছেঁটে ফেলা, বক্তৃতা-বিবৃতিতে বুদ্ধিজীবী হত্যার দায় অস্বীকার—এসব কি মুক্তিযুদ্ধকে নতুন যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিচ্ছে?