০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় জেনে পাকিস্তানের এমপি যে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিলেন, তা এখনো ভুলতে পারেন না, বলেন তিনি।
ব্যানারে থাকা ব্যক্তিদের ছবির দিকে রিকশাচালক ও পথচারীসহ অনেকে জুতা নিক্ষেপ করেন।
“স্বাধীন দেশ যারা চায়নি, তারা কীভাবে এ দেশটার মঙ্গল চাইবে? শহীদ পিতার হত্যাকারী হিসেবে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তাদের ঘৃণা করব।”
"জামায়াতের আত্মবিশ্বাস ভাঙতে পেরেছি, কারণ মানুষ তাদের হারাবেই, সেটা যেকোনো দিন, যেকোনোভাবেই হোক," বলেন ছাত্র ইউনিয়নের অনয়।
পাঠ্যবই থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দ ছেঁটে ফেলা, বক্তৃতা-বিবৃতিতে বুদ্ধিজীবী হত্যার দায় অস্বীকার—এসব কি মুক্তিযুদ্ধকে নতুন যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিচ্ছে?
বিজয় দিবসে ডাকসু ভবনের সামনে যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গোলাম আযমের ছবিতে জুতা নিক্ষেপের আয়েজন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের একদল শিক্ষার্থী।
স্বাধীনতার পর যুদ্ধাপরাধী ইস্যুর পদ্ধতিগত সমাধান হয়নি। তখন বিচার ও ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ বিষয়ের চূড়ান্ত সমাধান হলে আমাদের এ ইস্যু আজ অবধি টানতে হতো না।