২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
“এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে সবাই এনইআইআর বাস্তবায়নে শরিক হবে বলে আমরা আশা করছি।”
একই দাবিতে মাসে খানেক আগে তারা বিটিআরসি ভবন ঘেরাও করে দিনভর বিক্ষোভ করেছিলেন।
আগের ঘোষণা অনুযায়ী তা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের দিন থেকে চালুর কথা ছিল, যার প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।
মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের এই বাধ্যবাধকতা কার্যকর হওয়ার পর কেবল সরকার অনুমোদিত বৈধ হ্যান্ডসেটই নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকতে পারবে।
“আপনি একদিকে মুক্তবাজারের কথা বলবেন আরেক দিকে সরকার নিয়ন্ত্রিত বাজার তৈরি করবেন সেটা হবে না,” বলেন তিনি।
এনইআর চালুর ফলে বিপদে পড়তে যাচ্ছে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা হ্যান্ডসেটের ব্যবসা বা ‘গ্রে মার্কেট’, বাজারে যাদের হিস্যা ৬০ শতাংশের বেশি।
“সুতরাং ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি এবং সেই ব্যবধান আমাদের পূরণ করতে হবে,” বলেন তিনি।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) কার্যকরের সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ।