৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
আধুনিক সময়ের ‘অভিঘাত’ এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় জয়পুরহাট জেলার মৃৎশিল্প ধুঁকছে।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া, শোল্লা ও মানুরী গ্রামের মৃৎশিল্পী পরিবারগুলো এখন ব্যস্ত সময় পার করছে।
দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও চাহিদা আছে কুমিল্লার বিজয়পুর মৃৎশিল্প কেন্দ্রের পণ্যের। কিন্তু শিল্পীদের সম্মানী নগণ্য।
তাপ বাড়াতে বেশি লাকড়ি ব্যবহার করলে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। সে ক্ষেত্রে দাম বেশি হলে ক্রেতাদের কাছেও চাহিদা হারায় মৃৎপণ্য।
সাতক্ষীরায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করে মৃৎশিল্প তৈরি করা হচ্ছে। হারিয়ে যেতে বসা শিল্পটি প্রাণ ফিরে পেয়েছে যেমন সাতক্ষীরার পাল পাড়ায় ফুটেছে আশার আলো।