২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
রঘু রাই এমন এক স্রষ্টা—একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলো যার ক্যামেরায় ধরা দিয়েছিল মানবতার আর্তনাদ হয়ে।
মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস রণাঙ্গনে শত্রু মোকাবিলা করার পাশাপাশি তাজউদ্দীন আহমদকে লড়তে হয়েছিল অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বিরুদ্ধেও। কেন গঠিত হয়েছিল ‘মুজিববাহিনী’?
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল, ১৭ এপ্রিল এবং ১৬ ডিসেম্বর—এই তিন ঐতিহাসিক দিনে তাজউদ্দীন আহমদের দেওয়া ভাষণগুলো আজ কোথায়? কেন মুক্তিযুদ্ধোত্তর কালে বাংলাদেশের মানুষ শুনতে পায়নি সেই অমূল্য সব ভাষণ?
একাত্তরে ধর্ষণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি–এমন বিকৃত বয়ান আর রাজাকারদের আস্ফালন বুকের ভেতর দহন জাগায়। এত রক্ত আর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত দেশটা কি তবে জলের দামে বিক্রি হয়ে গেল?
৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে কুতর্ক, বুদ্ধিজীবী হত্যার দায় অস্বীকার, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান দিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে প্রতিস্থাপনের চেষ্টা—এই সবকিছু মিলিয়ে ইতিহাস আজ আক্রমণের মুখে।
গ্রেনেডের চাবি খুলতে গিয়ে দাঁত হারালেও সাহস হারাননি জসেব মার্ডি। আজও বলেন—‘স্বাধীন দেশে বাস করছি, এর চেয়ে বড় পাওয়া নেই।’