২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
এ মহাজাগতিক ঘটনার সবচেয়ে অস্বাভাবিক দিকটি হচ্ছে তারাটিকে গিলে ফেলার পর ব্ল্যাক হোলটির ‘বদহজম’ বা প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা ও দীর্ঘস্থায়িত্ব।
নীহারিকার মধ্যে আয়রন পরমাণুর বিশাল এক মেঘ দেখতে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, যা দণ্ড বা বারের মতো আকৃতি নিয়ে প্রায় ৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে আছে।
বিজ্ঞানীদের অনুমান, আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথ মূলত বিশাল এক মেঘ থেকে তৈরি হয়েছে। সেই মেঘে ডার্ক ম্যাটার ও সাধারণ পদার্থ মিশে ছিল।
সময়ের সঙ্গে এ ধরনের তারা গঠনের গতি ধীর হয়ে গেছে এবং আমাদের মহাবিশ্বে কেবল কয়েকটি বড় আকারের তারাগুচ্ছই অবশিষ্ট রয়েছে।
‘স্যাজিটেরিয়াস এ*’ নামের ব্ল্যাকহোলটির অবস্থান আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়ের ঠিক মাঝখানে। আর এখানেই বিজ্ঞানীরা পেয়েছেন এই জোড়া তারা’র সন্ধান।
দূরবর্তী এই ছায়াপথটিকে ‘ফায়ারফ্লাই স্পার্কল’ নামে বর্ণনা করেছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ এটি দেখতে অনেকটা নানা রঙের জোনাকির ঝাঁকের মতো বলে দাবি তাদের।
স্যাটেলাইট ছায়াপথ মানে হচ্ছে, ছোট আকারের বিভিন্ন ছায়াপথ, যা একটি বড় আকারের ‘হোস্ট’ ছায়াপথকে প্রদক্ষিণ করে, অনেকটা চাঁদ যেভাবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে তেমন।
প্রচলিতভাবে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এসব তারা খুঁজে পেতে জরিপ থেকে যথেষ্ট তথ্য ম্যানুয়ালি ঘেঁটে দেখতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ ও চ্যালেঞ্জিং কাজ।