১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
নিউট্রিনো যে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অনায়াসে চলে যেতে পারে। বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো অজান্তেই মানুষের দেহের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে।
এসব বহির্গ্রহের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা আমাদের বৃহস্পতি গ্রহের বাতাসের চেয়েও শক্তিশালী।
এর মাধ্যমে বিগ ব্যাংয়ের পর প্রথম একশ কোটি বছরের মধ্যে থাকা কোনো ব্ল্যাক হোলের ভর বা ভরসংখ্যা প্রথমবারের মতো সরাসরি পরিমাপ করা সম্ভব হল।
মহাজাগতিক জালের এ মানচিত্রে ডার্ক ম্যাটার, গ্যাস ও তন্তুর মতো মহাকাশের বড় বিভিন্ন বস্তুকে একে অপরের সঙ্গে যোগ করেছে গবেষণা দলটি।
তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্বের প্রসারণের হার মাপার দুটি পদ্ধতিরই ফলাফল একই হওয়া ও মহাবিশ্বের গতি সম্পর্কে নির্দিষ্ট ধারণা থাকা উচিত। তবে বাস্তবে তা হচ্ছে না।
পদার্থবিজ্ঞানের প্রচলিত ধারণা অনুসারে, ডার্ক ম্যাটার ‘ঠান্ডা’ প্রকৃতির এবং অন্য কোনো কণার সঙ্গে কোনো প্রকার প্রতিক্রিয়া ছাড়াই স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারে।
এ কাজে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ‘অল লেন্স’ টেলিস্কোপ এবং বিশেষ কিছু ফিল্টার ব্যবহার করবে, যা হাইড্রোজেন গ্যাসের অনেক ক্ষীণ আলোও দেখতে পায়।
ঘুমের সময় মানুষ নিজেদের ভুলগুলো নিয়ে পড়ে থাকেন, সারাদিনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে অতিরিক্ত বিশ্লেষণ ও আগামীকাল কী হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন।