১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
পৃথিবী থেকে প্রায় ১১ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত সেন্টওরাস এ ছায়াপথ, যা অন্যান্য প্রতিবেশী ছায়াপথের তুলনায় অনেক অশান্ত ও চঞ্চল।
ক্যামেরাটি আকাশের প্রতিটি নির্দিষ্ট অংশের দিকে প্রায় ৮০০ বার তাকাবে, যাতে মহাকাশের যে কোনো পরিবর্তন বা মহাজাগতিক ঘটনা নিখুঁতভাবে রেকর্ড করা যায়।
ডার্ক ম্যাটারের প্রকৃতি উদ্ঘাটনে বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণাগারে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা চলছে। পাশাপাশি মহাকর্ষের বিকল্প ব্যাখ্যাও প্রস্তাব করেছেন কিছু গবেষক।
মহাবিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত ত্রিমাত্রিক মানচিত্র তৈরির লক্ষ্যে ২০২৩ সালে ১০০ কোটি ইউরোর ইউক্লিড টেলিস্কোপটি মহাকাশে উৎক্ষেপিত হয়েছিল।
ধূমকেতুটি প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি বছর আগে এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছিল যে সময় মহাবিশ্বের ওই অঞ্চলে তীব্র গতিতে তারা তৈরি হচ্ছিল।
এক হাজার ৩০০ কোটি বছরের পুরানো সুপারনোভা আবিষ্কারের নেপথ্য টেলিস্কোপটিকে টেনে নিরাপদ কক্ষপথে ফিরিয়ে নেওয়াই এ উদ্ধার অভিযানের মূল লক্ষ্য।
২০২৫ সালের এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল, ডার্ক এনার্জি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ গতিকে বাড়ানো বন্ধ করে দিয়েছে।
নিউট্রিনো যে কোনো কিছুর ভেতর দিয়ে অনায়াসে চলে যেতে পারে। বাস্তবে প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন নিউট্রিনো অজান্তেই মানুষের দেহের ভেতর দিয়ে চলাচল করছে।