০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এর মাধ্যমে বিগ ব্যাংয়ের পর প্রথম একশ কোটি বছরের মধ্যে থাকা কোনো ব্ল্যাক হোলের ভর বা ভরসংখ্যা প্রথমবারের মতো সরাসরি পরিমাপ করা সম্ভব হল।
এ নতুন অতিথিটির আকার খুবই ছোট, প্রস্থে প্রায় একশ ১৮ ফুট। এর তুলনায় আমাদের চাঁদের ব্যাসার্ধ প্রায় এক হাজার ৭৩৯ কিলোমিটার।
এসব লাল বিন্দু ছায়াপথ নয়, বরং হতে পারে তরুণ সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের আশপাশে গ্যাসের বিশালাকার গোলক।
ধূমকেতুর ধ্বংসাবশেষ যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে জ্বলে উঠে তখন জ্বলজ্বলে আলো ছড়ানোর মতো পার্সেইড উল্কাবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন খুঁজে পাওয়া বস্তুটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও দ্রুত ঘুরছে, যা এটিকে সত্যিই অদ্ভুত করে তুলেছে।