০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দক্ষিণ লেবাননে আবারও সহিংসতা বেড়েছে। ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য বিভাগ।
চলমান যুদ্ধের ফলাফল এখনও অনিশ্চিত। তবে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল অথবা ইরান—যে পক্ষই জয়ী হোক না কেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্ত্র প্রতিযোগিতা থামার সম্ভাবনা খুব কম।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের প্রভাব এখন জ্বালানি বাজারে। তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ছে, যার প্রভাব পড়ছে জার্মানি থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত।
ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের কাছে কাফর কাসেম এলাকায় ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আহত হয়েছেন অন্তত দুজন। একই সময়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন আরও উত্তপ্ত। ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি এবং গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খতিবকে ইসরায়েল হত্যার পর, বুধবার রাত থেকে ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান।
ইরানের একের পর এক ড্রোন হামলা এবং সৌদি আরব ও আমিরাতের নতুন রণকৌশল—সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ স্নোবল ইফেক্টের আশঙ্কায় বিশ্ব। মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের শিয়া-সুন্নি বিভেদ কি এবার আঞ্চলিক সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধে রূপ নিতে যাচ্ছে?
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর, মধ্য ইসরায়েলে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। তেল আবিবসহ বিভিন্ন এলাকায় বেজে ওঠে সাইরেন।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত শীর্ষ সামরিক কমান্ডারদের জানাজায় তেহরানে নেমেছে হাজারো মানুষ। কফিন বহন করে শোক মিছিল করে জনতা, হাতে ছিল পতাকা ও নিহত নেতাদের ছবি। অংশগ্রহণকারীরা দেশ রক্ষায় শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের অঙ্গীকারও করেন।