১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
এ দফায় প্রকাশ পাওয়া কিছু কিছু নথির সঙ্গে ঘটনার প্রত্যক্ষ স্কেচ বা ইলাস্ট্রেশন ও আসল আলোকচিত্রও জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ‘বড় ও লুকিয়ে থাকা ম্যাগমা বা গলিত লাভা ব্যবস্থা’ রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
নাসার ইতিহাসে অন্য কোনো গ্রহে ম্যারাথন সমপরিমাণ দূরত্ব পাড়ি দেওয়া এটাই দ্বিতীয় অভিযাত্রী|
গ্রহটি প্রাণহীন ও বায়ুমণ্ডলহীন এক জগত, যার উপরিভাগ অনেকটা আমাদের সৌরজগতের বুধ গ্রহের মতো পাথুরে।
ভিনগ্রহী যান বা ইউএফও বা এলিয়েনদের দেখার যতগুলো ঘটনা এ পর্যন্ত শোনা গেছে তার সবগুলোরই সম্ভবত কোনো না কোনো সাধারণ ব্যাখ্যা রয়েছে।
মহাকাশে ‘ব্ল্যাক উইডো’ জুটি খুব বিরল না হলেও এই নির্দিষ্ট জোড়াটি ওই ভিনগ্রহের তৈরি নিয়ে বিজ্ঞানীদের মনে নতুন অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে আড়াই হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ খাঁড়িগুলো পরীক্ষা করে সমুদ্রের গভীরে এমন প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।
আধা কিলোমিটার আকারের এ বেন্নু মূলত অনেক বড় আকারের গ্রহাণুর অংশ ছিল, যা অন্যান্য মহাকাশ শিলার মাধ্যমে আঘাত পেয়ে ছিটকে গেছে।