০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সিদ্ধার্থের জন্ম, বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বাণ—এই তিনটি অনন্য ঘটনা বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে ঘটেছিল বলেই বৈশাখী পূর্ণিমার অপর নাম বুদ্ধ পূর্ণিমা।
“ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।”
অনুষ্ঠানে গৌতম বুদ্ধের জীবনের উপর সংগীতভিত্তিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি ছিল ভরতনাট্যম ও ওড়িসি নৃত্যের পরিবেশনা।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমায় মন্দিরে মন্দিরে চলছে বুদ্ধের বন্দনা। হিংসা, বিদ্বেষ ভুলে অহিংসা ও শান্তির বাণী অন্তরে ধারণ করে, প্রার্থনা করা হচ্ছে বিশ্ব শান্তির প্রত্যাশায়।
“আর একটা কথা, বাংলাদেশ কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠের রাষ্ট্র হবে না। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার,” বলেন তিনি।
নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা। রাজধানীর সবুজবাগে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারে রোববার প্রার্থনা, শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরা।
“বুদ্ধ যে অহিংসার বাণী ছড়িয়ে দিয়েছেন, তা আমাদের অন্তরে ধারণ করতে হবে। তবেই বিশ্বে শান্তি বজায় থাকবে।"
এবার ঢাকাসহ ছয় জেলায় একযোগে অনুষ্ঠান করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও শিল্পকলা একাডেমি।