০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুধু ঢাকা থেকেই এ পর্যন্ত ৭৭৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনের মধ্যপ্রাচ্য থেকে তিনটি আসার এবং যাওয়ার একটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় তারা দেশে ফিরতে পারছিলেন না।
তবে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্স বিমান বাংলাদেশ এখনো তাদের মধ্যপ্রাচ্য রুট বন্ধ রেখেছে।
“এই যুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশের জন্য সরাসরি এবং বহুমুখী হতে পারে,” বলেন সিপিডির সম্মানীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান।
দেশীয় ইউএস-বাংলাসহ মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক এয়ারলাইন্স দুবাই, শারজাহ, মাস্কাট, রিয়াদ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
সেসব ফ্লাইট বাতিল হয়েছে, সেগুলোর যাত্রীদের নিজ নিজ ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
ইউএস-বাংলা বলছে, যেসব বাংলাদেশি যাত্রীর ভিসার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে অথবা শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে, তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হবে।