০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নাসা কি নিজের পুরানো পথেই হাঁটবে, নাকি বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার নতুন যুগে প্রবেশ করবে এর উত্তর মিলবে আর্টেমিস টু যাত্রার সাফল্যের ওপর।
এ অভিযানে চারজন নভোচারীর মধ্যে রয়েছেন নাসার দুইজন, ফ্রান্সের একজন ও রাশিয়ার একজন। আইএসএসে আট মাস ওজনহীন পরিবেশে বিভিন্ন গবেষণা করবেন তারা।
এখন পর্যন্ত ইলন মাস্কের মহাকাশ কোম্পানি স্পেসএক্সই কক্ষপথে রকেটের মূল অংশ বা মেইন স্টেজ সফলভাবে অবতরণ করাতে ও আবার তা উৎক্ষেপণ করতে পেরেছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইলন মাস্কের মহাকাশ কোম্পানি স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে করে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হয়েছিল রকেটটি।
এ উৎক্ষেপণ বৃহস্পতিবার করার কথা থাকলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। ফলে উৎক্ষেপণ এক দিন পিছিয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ধনী দুই ব্যক্তি মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক ও অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে মহাকাশ।
যুক্তরাষ্ট্রের ভেনচুরা কাউন্টির বাসিন্দারা ফ্যালকন ৯ রকেটের জোরালো সনিক বুম কেবল শুনতেই পান না ও কাঁপুনিও টের পান তারা।
লক্ষ্য হচ্ছে, চারজন নতুন ক্রু সদস্যকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএসে পাঠানো এবং ফিরতি যাত্রায় সুনিতা উইলিয়ামস ও বুচ উইলমোরকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা।