২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
এর আগে, পারমাণবিক শক্তিচালিত বিভিন্ন মিশনের মধ্যে রয়েছে নাসার ‘ভয়েজার ১’ ও ‘২ প্রোব’, যা ১৯৭৭ সালে উৎক্ষেপণের পর থেকে আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশ থেকে তথ্য পাঠাতে পারমাণবিক শক্তির উৎস ব্যবহার করছে।
নাসা কি নিজের পুরানো পথেই হাঁটবে, নাকি বাণিজ্যিক প্রতিযোগিতার নতুন যুগে প্রবেশ করবে এর উত্তর মিলবে আর্টেমিস টু যাত্রার সাফল্যের ওপর।
এ অভিযানে চারজন নভোচারীর মধ্যে রয়েছেন নাসার দুইজন, ফ্রান্সের একজন ও রাশিয়ার একজন। আইএসএসে আট মাস ওজনহীন পরিবেশে বিভিন্ন গবেষণা করবেন তারা।
এখন পর্যন্ত ইলন মাস্কের মহাকাশ কোম্পানি স্পেসএক্সই কক্ষপথে রকেটের মূল অংশ বা মেইন স্টেজ সফলভাবে অবতরণ করাতে ও আবার তা উৎক্ষেপণ করতে পেরেছে।
ফেব্রুয়ারিতে ইলন মাস্কের মহাকাশ কোম্পানি স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটে করে যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপিত হয়েছিল রকেটটি।
এ উৎক্ষেপণ বৃহস্পতিবার করার কথা থাকলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। ফলে উৎক্ষেপণ এক দিন পিছিয়েছে।
বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ধনী দুই ব্যক্তি মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক ও অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে মহাকাশ।
যুক্তরাষ্ট্রের ভেনচুরা কাউন্টির বাসিন্দারা ফ্যালকন ৯ রকেটের জোরালো সনিক বুম কেবল শুনতেই পান না ও কাঁপুনিও টের পান তারা।