০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
দেশের পার্বত্য অঞ্চলের অনেক পাড়ায় এখনও দেখা যায় মাচাং ঘর। কাঠ আর বাঁশের খুটির ওপর ভর করে বানানো হয় ঘরগুলো। ছাউনি হিসেবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ছন। জেলা বা উপজেলা সদরের আশপাশ থেকে হারিয়ে গেলেও জুমচাষ নির্ভর এলাকাগুলোতে এখনও টিকে আছে মাচাং ঘর।
আমরা কি তাহলে মেনে নেব—পাহাড়ের মানুষের জীবন, সম্মান, অধিকার সবই অর্থহীন? রাষ্ট্র কেবল আন্তর্জাতিক মঞ্চে শান্তির বুলি কপচাবে আর দেশের ভেতরে পাহাড়ে রক্ত ঝরবে?
শারীরিক আক্রমণ চোখে দেখা যায়, কিন্তু এমন এক সহিংসতা আছে যা দৃশ্যমান নয়—তবুও তার ক্ষত আরও গভীর। এটাই জ্ঞানতাত্ত্বিক সহিংসতা। বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা দীর্ঘদিন ধরেই এই অদৃশ্য সহিংসতার শিকার।
১৬ এপ্রিল মারমাদের জলকেলি উৎসবের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব।
এ যেন রাজধানীর বুকে এক টুকরো পাহাড়ি মেলা। মিলছে পাহাড়ের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খাবার, পোশাক, গহনাসহ রকমারি পণ্য। বিজু মেলা দেখতে ভিড় বাড়ছে নানা প্রান্তের মানুষের।
বৈসাবি উপলক্ষ্যে খাগড়াছড়ির নিউ জিল্যান্ড মাঠে দুই সপ্তাহব্যাপী মেলা বসেছে। যেখানে পাহাড়িদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, অলংকার ও খাবার পাওয়া যাচ্ছে।
“বাংলাদেশের’ তরুণ সমাজ যে বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছে, তা অবশ্যই আশাব্যঞ্জক। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা, তাকেও ভুলে গেলে চলবে না।”
এক যৌথ বিবৃতিতে রাঙামাটিতে অনিক চাকমাকে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ফুটেজে হত্যাকারীদের স্পষ্ট চেহারা দেখা যাওয়ার পরও তাদের গ্রেপ্তার না করায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।