০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কিছু বই উপজেলাগুলোতে পৌঁছাতে জানুয়ারির প্রথমাংশ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
“মাধ্যমিকের বই ছাপার প্রক্রিয়া আগেভাগে শুরু হলেও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি বেশ কিছু দরপত্র বাতিল করে দিয়ে বিধিতে একটু সংশোধন আনে,” বলেন এনসিটিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা।
“বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে গণহত্যাকারী হিসেব যুক্ত হচ্ছে শেখ হাসিনার নাম,” বলেছেন তিনি।
“মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে; যাতে অতীতের ভুলভ্রান্তিগুলো সংশোধন করে ছাত্রছাত্রীদের হাতে যথাসম্ভব নির্ভুল পাঠ্যবই তুলে দেওয়া যায়।”
সরকারের পরিবর্তনের পর পাঠ্যবই পরিমার্জনে অনেকটা সময় লেগে যাওয়ার ছাপা শুরু হতে দেরি হয়। ফলে বছরের শুরুতে সব বই হাতে পায়নি শিক্ষার্থীরা।
এনসিটিবি চেয়ারম্যানের দাবি, ৪০০ কোটি টাকার নয়, কাগজ আমদানি হয়েছে ১০০ কোটি টাকার।
“মার্চের মাঝামাঝিতে সব বই ছাপা ও বিতরণ সম্ভব হবে,” বলেন প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ।
আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাথমিক এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিকে শুরু হওয়া ছুটির আগে শিক্ষার্থীদের হাতে সব বই পৌঁছানো নিয়ে রয়েছে শঙ্কা।