০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ঝড়ের তাণ্ডবে মোট ৭১টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। ভেঙে নষ্ট হয়েছে ৫৫০টি মিটার।
অন্যদিকে বেকায়দায় পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।
তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।
“সমস্যা সমাধানে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টার পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে আশ্বস্ত করা হয়েছে,” বলেন সমিতির দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান।
শুক্রবার বিকালে ঘাস কাটার জন্য বের হয়েছিলেন নজির। কিন্তু বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোজাঁখুজি করেও তার সন্ধান পায়নি।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে পুরো জেলা জুড়ে যে বিদ্যুৎ বিপর্যয় শুরু হয়, তা দুদিন পরেও শতভাগ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি।
মন্ত্রণালয় বলছে, এই আন্দোলনের সঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ‘নিবেদিত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের’ কোনো সম্পর্ক নেই।
১২০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হলেও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ লিখিত অভিযোগ না করায় কাউকে আটক করেনি পুলিশ।