০৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
“ইউএনও আমাদের কথা আমলে না নিলে আমাদের ছেলেরা কাগজপত্র নিয়ে চলে আসে। পরবর্তী আবারো সেগুলো দিয়ে আসা হয়েছে,” বলেন জামাল উদ্দীন।
‘শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত সিক্রেট সাজেশন’, ‘হুবহু কমন পাবেন ৮০/৯০ পারসেন্ট’- এমন প্রচারণা চালিয়েছে চক্রটি, বলছে পুলিশ।
জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা টাকার বিনিময়ে অন্যের হয়ে পরীক্ষা দিতে আসার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।
তিনি বলেন, শিশুদের এমনভাবে শিক্ষা দিতে হবে যেন তারা স্কুলকে ভয় না পায়।