২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের এই সদস্য বলছেন, একটি ভালো নির্বাচন করার কোনো বিকল্প বাংলাদেশের সামনে এখন নেই। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যতটা উন্নতি হওয়া দরকার, তা এখনো ‘হয়নি’।
“আমি কিছুটা হতাশ হয়েছি, রাজনৈতিক দলগুলো তাদের এ অঙ্গীকারটুকু রক্ষা করেনি,” বলেন ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম।
উচ্চকক্ষের আসন পাওয়ার যোগ্যতা মোট প্রাপ্ত ভোটের ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
‘জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল’ কর্তৃক তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের নাম চূড়ান্ত এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান এবং অন্য ২০ উপদেষ্টাকে নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে।
“আমরা কতগুলো প্রস্তাব করেছি- যেগুলো পরিস্থিটাকে আরও উত্তপ্ত করতে সহায়তা করবে,” বলেছেন কমিশন প্রধান বদিউল আলম।
“আমি একদম গোড়া থেকে বলে আসছি, এটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত অথবা কোর্টের সিদ্ধান্ত। আমরা এ দুটোর দিকে চেয়ে আছি।”
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংস্কারগুলো মেনে আগামীতে কয়েকটা নির্বাচন হলে মানুষ অভ্যস্ত হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন তিনি।
“আমি কনফিডেন্টলি বলতে পারি, ভালো নির্বাচন হবে,” বলেন সিইসি।