১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
“রাডার তো নষ্ট না, রাডারের কিছু হয় নাই। রাডার ঠিক ছিল এবং সরকার উদ্যোগ নিবে কেন?”
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে দেশের সর্বোচ্চ ৩৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত নথিবদ্ধ করা হয়েছে।
পাঁচলাইশের ওই এলাকায় এক সারিতে ৮ থেকে ১০টি ঘর আছে। এর মধ্যে কয়েকটি ঘরের দেয়াল ধসে পড়ে।
বন্দর নগরীতে এর আগে ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি ঝরে ১৯৮৩ সালে; ৫১১ মিলিমিটার।
“সোমবার রাত এবং আগামীকালও বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে,” বলেন পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহমদ।
আবহাওয়া অফিস বলছে, টানা ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে বা অস্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
“আজ থেকেই দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি বেড়ে যাচ্ছে। আগামী ১২ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত বৃষ্টি থাকবে। তবে সংকেত আপাতত বাড়ছে না। অর্থাৎ ৩ নম্বর সংকেতই বহাল থাকছে।”