১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
স্পেসএক্স বলেছে, “আমাদের একমাত্র পরিচিত বাসস্থান পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে বাইরে পা রাখার মাধ্যমে আমরা মানব প্রজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করছি।”
থাইল্যান্ডের বিভিন্ন মন্দিরে ফুটিয়ে তোলা এশীয় ধর্মীয় ঐতিহ্যের সর্পিল আকৃতির পৌরাণিক চরিত্র ‘নাগা’-এর নামানুসারে এ ডাইনোসরটির নামকরণ করা হয়েছে।
মানুষের সবচেয়ে প্রাচীন পায়ের ছাপের সন্ধান মিলেছে প্রাগৈতিহাসিক কাদা-গর্তে। সেখানে শত শত পশুর পায়ের ছাপের মধ্যে মানুষের সাতটি ছাপ দেখা গেছে।
ল্যাবরেটরিতে তৈরি চামড়ার গুরুত্ব ও আধুনিক বিজ্ঞানের সক্ষমতা তুলে ধরতেই এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
এ আবিষ্কারকে ‘জলচর ধারণার চূড়ান্ত অবসান’ বলে বর্ণনা করেছেন গবেষক সেরেনো। যার থেকে ইঙ্গিত মেলে, পুরোপুরি গভীর পানির বাসিন্দা ছিল না এরা।
প্রথমবারের মতো মেসোপ্রোটেরোজোয়িক যুগের কার্বন ডাইঅক্সাইড ও অক্সিজেনের মাত্রা সরাসরি পরিমাপ করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।
এ অদ্ভুত জীবাশ্মটি দেখতে বর্মধারী ডাইনোসরের মতোই। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া এর প্রতিটি নমুনা আকারে খুবই ছোট, যা লম্বায় ৪০ সেন্টিমিটারের বেশি নয়।
এ ডাইনোসরের শরীরের গঠন এতই অদ্ভুত যে, জীবাশ্মের অসম্পূর্ণ ও এলোমেলো বিভিন্ন হাড় থেকে এর পুরো দেহের গঠন বানানো সহজ ছিল না।