০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সুপারস্টার অভিনেতা বিজয় গত মাসের বিধানসভা নির্বাচনে তার দল টিভিকে জয়ী করে তামিলনাডুর রাজনীতিতে আলোড়ন তোলেন।
দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। নেপাল-শ্রীলঙ্কার পর এবার তামিলনাড়ুর প্রথাগত রাজনীতিতে ধস নামালেন অভিনেতা থালাপতি বিজয়। উপমহাদেশের এই নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ কি দীর্ঘস্থায়ী হবে?
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থালাপতি বিজয় বলেন, “নারী, তরুণ সমাজ, কৃষক, সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, শ্রমিক, জেলে- আমাদের টিভিকে সরকারে সবাই ভালো থাকবে।”
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পানির মতো মৌলিক অধিকারের বিষয়ে পূর্ণ মনোযোগী থাকবেন, আশ্বাস টিভিকে প্রধানের।
কয়েকদিনের নাটকীয়তা শেষে রোববার চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথন আরলেকার তাকে শপথ পড়ান।
সরকার গঠনের জন্য বিজয়কে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার।
২৩৪ আসনের বিধানসভায় বিজয়ের দল টিভিকে জিতেছে ১০৮টি। সরকার গড়তে ন্যূনতম আরও ১০ বিধায়কের সমর্থন লাগবে তাদের।
বিজেপির অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা নাকি আঞ্চলিক রাজনীতির নতুন বিন্যাস? পাঁচ রাজ্যের ফলাফলে একদিকে যেমন পদ্ম শিবিরের ক্রমবর্ধমান দাপট স্পষ্ট, অন্যদিকে বাম রাজনীতির ঐতিহাসিক পতন, থালাপতি বিজয়ের চমক ও কংগ্রেসের আংশিক পুনরুত্থান ভারতের রাজনীতিতে কি নতুন মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।