২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, আগামী জুনে মিন অং হ্লাইংয়ের সম্ভাব্য এই সফর দিল্লির সঙ্গে নেপিদোর গভীর কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়টিই সামনে আনছে, যা ভারতের দীর্ঘদিনের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির অংশ।
“সামরিক অভ্যুত্থানের পাঁচ বছর পরেও মিয়ানমার সহিংসতায় জর্জরিত; রোহিঙ্গা পরিস্থিতির উন্নতিও হয়নি,” বলা হয় চিঠিতে।
মিয়ানমার গণতান্ত্রিক শাসনে ফেরার পরও দেশটির সরকারে সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ সুসংহত রাখতে সহায়ক হতে পারে এই পদক্ষেপ।
“এই নির্বাচন মিয়ানমারের জনগণের জন্য; এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য নয়।”
মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী সু চি ‘হয়ত মারাও গিয়ে থাকতে পারেন’ বলে ছেলে অ্যারিসের শঙ্কা প্রকাশের পর দেশটির জান্তা সরকার এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে।
এর মধ্যে রাজনৈতিক বন্দি কয়জন এবং ক্ষমাপ্রাপ্তরা কবে মুক্তি পাবে তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
“এই সীমান্ত আমাকে ম্যানেজ করতে হবে, রক্ষা করতে হবে, শান্তিপূর্ণ রাখতে হবে। এটাতো একটা আন্তঃসীমান্ত। এজন্য ওপারে যেই থাকুক, তার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখব,” বলেন তিনি।
রাজনৈতিক সুবিধা পেতে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে জামায়াত যোগাযোগ করেছে, এমন অভিযোগও তুলেছে জান্তা সরকার।