১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
শুরুতে ডার্ক ম্যাটার ও সাধারণ পদার্থ উভয়ই খুব পাতলা স্তরে ছড়িয়ে ছিল। এরপর ডার্ক ম্যাটার ধীরে ধীরে জমাট বাঁধতে শুরু করে ও সাধারণ পদার্থকে নিজের দিকে টেনে আনে।
এই প্রথম সরাসরি এমন একটি তারাকে শনাক্ত করা গেছে যেটি সুপারনোভা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। নতুন অনেক গবেষণার পথ খুলে দিয়েছে এ আবিষ্কার।
টেলিস্কোপটি মহাকাশে পাঠানোর পর সবাই খুব আশাবাদী হলেও কিছুদিনের মধ্যেই বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন এর প্রধান ক্যামেরায় তোলা ছবি ঝাপসা আসছে।
পর্যবেক্ষণ করা দুইশো ৬৩টি ছায়াপথের মধ্যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ ছায়াপথই একদিকে ঘোরে ও কেবল এক তৃতীয়াংশ ঘুরছে অন্যদিকে।
প্রথম ছায়াপথের সময়ে যদি পানি গঠিত হতে পারে তাহলে কোটি কোটি বছর আগে তৈরি বিভিন্ন গ্রহের প্রাথমিক বিকাশেও ভূমিকা রাখতে পারে পানি।
সময়ের সঙ্গে এ ধরনের তারা গঠনের গতি ধীর হয়ে গেছে এবং আমাদের মহাবিশ্বে কেবল কয়েকটি বড় আকারের তারাগুচ্ছই অবশিষ্ট রয়েছে।
গবেষণায় ‘গ্র্যাভিটিশনাল লেন্সিং’ নামে পরিচিত এক ঘটনার দিকে নজর দিয়েছেন গবেষকরা। এ নিয়ে প্রথম ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী আইনস্টাইন।
শ্বেত বামনটি সম্ভবত ব্ল্যাক হোলের প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এর কাছাকাছিও আসছে। তবে কোনোভাবেই এর মধ্যে ঢুকে পড়ছে না।