০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
জেফ বেজোসের 'ব্লু অরিজিন'-এর তৈরি নিউ গ্লেন রকেটে করে নাসার চন্দ্রাভিযানের ল্যান্ডার চাঁদে পাঠানোর কথা ছিল। রকেটটি বিস্ফোরিত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা অনিশ্চয়তায় পড়ল।
চন্দ্র ঘাঁটির প্রথম দুটি মিশনকে সহায়তা করতে কোম্পানিটিকে ২৩ কোটি ৪ লাখ ডলার দিয়েছে নাসা। অভিযানের সিংহভাগ খরচ ব্লু অরিজিনই বহন করবে।
এ নতুন রকেটটি এর আগের বিভিন্ন সংস্করণকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেটের খেতাব কেড়ে নিয়েছে।
চাঁদে নভোচারী নামার আগেই রোবটটি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া ও সেগুলো স্থাপন করার দায়িত্ব পালন করবে।
বলয়গুলো মহাকাশের আলোর কোন কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করছে, তা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা সেগুলোর উপাদান সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।
চাঁদের চারপাশ ঘোরার সময় পৃথিবীর কিছু ছবি তুলেছিলেন আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীরা। এবার সেই একই ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন এ মিশনের কমান্ডার।
কেবল মানবিক অনুভূতির কারণেই পৃথিবীর উদয় ও অস্তের ছবি দুটি গুরুত্বপূর্ণ নয়। ৫৮ বছরের ব্যবধানে তোলা এসব ছবি পৃথিবী কতটা বদলেছে তাও বুঝতে সাহায্য করেছে।
আর্টেমিস টু মিশনের নভোচারীদের ব্যবহৃত ক্যামেরার একটি আমাদের অনেকের কাছেই খুব পরিচিত। সেটি হচ্ছে, আইফোন।