২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
গতিপথ হারিয়ে মহাকাশে ভাসতে থাকা চার হাজার কেজির এ ধ্বংসাবশেষটির আঘাত হানার বিরল দৃশ্য সরাসরি পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
টাইমল্যাপস ভিডিওটি পুরো অভিযানটির রোমাঞ্চকর রূপ তুলে ধরেছে নাসা, যেখানে মঙ্গলের কাছাকাছি যাওয়ার মুহূর্তে গ্রহটিকে বাঁকা চাঁদের মতো দেখাচ্ছিল।
৯৬ বছর বয়সী বাজ অলড্রিন বর্তমানে চাঁদে হাঁটা মানুষদের মধ্যে বেঁচে থাকা কেবল চার জনের একজন।
নব্বইয়ের দশকের শেষদিকে মঙ্গলের বুকে প্রথম রোভার অবতরণের পর থেকে নাসার বিভিন্ন রোভার একের পর এক অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে।
মহাকাশ স্যুটের সবচেয়ে প্রধান কাজ বায়ুচাপ বা প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করা। এ ব্যবস্থাটি না থাকলে মহাকাশে নভোচারীদের অবস্থা কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা কল্পনাও করা যায় না!
জেফ বেজোসের 'ব্লু অরিজিন'-এর তৈরি নিউ গ্লেন রকেটে করে নাসার চন্দ্রাভিযানের ল্যান্ডার চাঁদে পাঠানোর কথা ছিল। রকেটটি বিস্ফোরিত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা অনিশ্চয়তায় পড়ল।
চন্দ্র ঘাঁটির প্রথম দুটি মিশনকে সহায়তা করতে কোম্পানিটিকে ২৩ কোটি ৪ লাখ ডলার দিয়েছে নাসা। অভিযানের সিংহভাগ খরচ ব্লু অরিজিনই বহন করবে।
এ নতুন রকেটটি এর আগের বিভিন্ন সংস্করণকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেটের খেতাব কেড়ে নিয়েছে।