০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
গ্রহটি এর আকারের তুলনায় সূর্যের অনেক বেশি কাছে অবস্থিত। একইসঙ্গে গ্রহ তৈরির প্রচলিত নিয়মগুলোর কোনোটিই বুধ মেনে চলে না।
বস্তুটি তৈরিতে মোটা অংকের অর্থ ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের অনেক দেশের বার্ষিক জিডিপির চেয়েও বেশি।
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ‘বড় ও লুকিয়ে থাকা ম্যাগমা বা গলিত লাভা ব্যবস্থা’ রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণের সন্ধানে এক বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
স্পেসএক্স বলেছে, “আমাদের একমাত্র পরিচিত বাসস্থান পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে বাইরে পা রাখার মাধ্যমে আমরা মানব প্রজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করছি।”
নাসার প্রকাশ করা এসব ছবিতে মঙ্গলের বড় আকারের গিরিখাত, দক্ষিণ মেরুর বরফ ও এক মনোহর অর্ধচন্দ্রাকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে।
গ্রহটি প্রাণহীন ও বায়ুমণ্ডলহীন এক জগত, যার উপরিভাগ অনেকটা আমাদের সৌরজগতের বুধ গ্রহের মতো পাথুরে।
নেপচুনের ‘কাইপার বেল্ট’ নামে পরিচিত এক বড় অঞ্চলে এ বস্তুটির অবস্থান। এ বেল্ট প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে সৌরজগতের জন্মলগ্নে তৈরি হয়েছিল।
বলয়গুলো মহাকাশের আলোর কোন কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করছে, তা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা সেগুলোর উপাদান সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।