১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
স্পেসএক্স বলেছে, “আমাদের একমাত্র পরিচিত বাসস্থান পৃথিবীর গণ্ডি পেরিয়ে বাইরে পা রাখার মাধ্যমে আমরা মানব প্রজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করছি।”
নাসার প্রকাশ করা এসব ছবিতে মঙ্গলের বড় আকারের গিরিখাত, দক্ষিণ মেরুর বরফ ও এক মনোহর অর্ধচন্দ্রাকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে।
গ্রহটি প্রাণহীন ও বায়ুমণ্ডলহীন এক জগত, যার উপরিভাগ অনেকটা আমাদের সৌরজগতের বুধ গ্রহের মতো পাথুরে।
নেপচুনের ‘কাইপার বেল্ট’ নামে পরিচিত এক বড় অঞ্চলে এ বস্তুটির অবস্থান। এ বেল্ট প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে সৌরজগতের জন্মলগ্নে তৈরি হয়েছিল।
বলয়গুলো মহাকাশের আলোর কোন কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করছে, তা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা সেগুলোর উপাদান সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।
টেলিস্কোপের আয়নাটি হাবলের আয়নার সমান আকৃতির হলেও তা হাবলের তুলনায় ১০০ গুণ বড় আকাশের অংশ একসঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করতে পারে।
চাঁদ যখন পৃথিবীর কোল ঘেঁষে সূর্যের সামনে এসে দাঁড়াল, সেই অদ্ভুত অন্ধকার আর রূপালি আলোর সাক্ষী হল অ্যান্টার্কটিকার বরফ ঘেরা প্রান্তরের কয়েক হাজার পেঙ্গুইন।
চারটি গ্রহ নিয়ে গঠিত এ মণ্ডলটির দুটি পাথুরে ও দুটি গ্যাসীয় গ্রহ। এগুলো ছোট ও অনুজ্জ্বল লাল বামন তারাকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।