০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
‘জাগ্রত বাংলা’য় প্রকাশিত যুদ্ধের খবর সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের উজ্জীবিত করত। পত্রিকাটি হাতবদল হয়ে জনমনে প্রভাব ফেলার পাশাপাশি গেরিলাদের মাধ্যমে ঢাকায় আমলাদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হতো, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তান সরকারকে মুক্তিযুদ্ধের স্বরূপ জানানো।
মুক্তিযুদ্ধের শিকড়ের ইতিহাসের সঙ্গে মিশে আছে ৭ই মার্চের ভাষণটি। ঐতিহাসিক এই ভাষণটি কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়। দলমত নির্বিশেষে এ ভাষণটিকে উপলব্ধি করা জরুরি।
তারামন বিবি, সিতারা বেগম ও কাঁকন বিবি—মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই তিন নাম নারীর সাহস, ত্যাগ ও নেতৃত্বের তিন ভিন্ন রূপ।
মুক্তিযুদ্ধ ছিল নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণে পুরোপুরি একটি জনযুদ্ধ। সেপ্টেম্বর থেকেই মুক্তিযোদ্ধা, সাধারণ মানুষ, সাহসী নারী ও কিশোরদের ঐক্যবদ্ধ আক্রমণেই দিশেহারা হতে থাকে পাকিস্তানি সেনারা।
ইতিহাস বদলানো যায় না। বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গাটিই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। এ প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ক্ষেত্রে কখনো আপস করবে না—এমনটাই বিশ্বাস মুক্তিযোদ্ধা নাজমা শাহীনের।