০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন বাস্তবায়নের আগেই অন্তর্বর্তী সরকার সরকার নতুন দুটি টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স দিয়েছে—হুবহু আওয়ামী লীগের ত্রুটিপূর্ণ ও ফ্যাসিবাদী কায়দায়।
“ডিজিএফআই আগে যেভাবে মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করত, বিভিন্ন নিউজ প্রকাশ করত, এখনও সেই চর্চা রয়েছে। রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।”
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের একটি ‘সমন্বিত রূপরেখা’ দেওয়া হযেছে, বলছে এমআরডিআই।
“অনলাইনের ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে পুষিয়ে দেওয়া উচিত,” বলেন তিনি।
“বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যাতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এবং আগ্রহী বিদেশিরা দেখতে পারেন, সে ব্যবস্থা নেবে সরকার,” বলেন তিনি।
দেশে ৪৬টা টেলিভিশনের বাজার না থাকার পরও অনুমোদন দেওয়া কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, বলেন তিনি।
“অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাধান্যের জায়গা হলো গণমাধ্যমের স্বাধীনতা”, বলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।
“আমরা যখন আন্দোলন করেছি বা করতাম তখন মাঠ পর্যায়ে অনেক সাংবাদিক আমাদের সংবাদ সংগ্রহ করত, কিন্তু ওই নিজউটা আসলে প্রকাশ হত না”, বলেন তিনি।