১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার মূলভূখণ্ডে ২ হাজার ৪০০-র বেশি খনি রয়েছে। এর অনেকগুলোতেই অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে খনন কাজ চলে।
এ অবিশ্বাস্য অনুসন্ধানে এমন এক জীবাশ্ম খুঁজে পাওয়া গেছে, যেখানে একটি ছোট ডাইনোসর ও বেড়াল-আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণীকে লড়াই করা অবস্থায় দেখা গেছে।
“রেলপথ নির্মাণ-সংস্কার কাজ এবং নদী শাসনে মধ্যপাড়ার পাথর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলে একটি পাথরও অবিক্রিত থাকবে না।”
দেশটি এখন প্রাকৃতিক গ্যাস, পারমাণবিক শক্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসের ওপর নির্ভর করবে।
ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে ভূমিধসের পর সোলোক জেলায় অবৈধ সোনার খনিটি ধসে পড়ে।