০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বিশেষ করে কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের উন্নয়নে মালদ্বীপের অভিজ্ঞতা এবং সহযোগিতা গ্রহণের বিষয়ে দেশটির রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
“এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করেছে,” বলেছে মন্ত্রণালয়।
অমাবস্যা ও নিম্নচাপের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে কক্সবাজারে মেরিন ড্রাইভের বিভিন্ন এলাকায় বালিয়াড়ি ধসে পড়েছে, উপড়ে গেছে ঝাউগাছ। ভাঙনের কারণে সৈকত সংলগ্ন বিভিন্ন স্থাপনা পড়ছে ঝুঁকিতে।
নদীর পলি প্রবাহে প্রচুর পুষ্টি উপকরণ, মৌসুমি বায়ুর প্রভাব, অনুকূল তাপমাত্রা ও সূর্যালোকের কারণে বাদামি শৈবালের স্ফুরণ ঘটে থাকে।
টানা তিন বছর ভাঙনের পর এবার একটি বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদনে কিছু কারণ উঠে আসার পাশাপাশি মিলেছে প্রতিকারের পরামর্শও।