২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের একাধিক অংশ তলিয়ে যাওয়ায় পর্যটক এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, প্রবাল এক্সপ্রেস ও সৈকত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। দিনভর আটকে থাকার পর যাত্রীদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে চট্টগ্রাম স্টেশনে।
দিনভর ট্রেনে আটকে থেকে যাত্রীরা এমনিতেই ভোগান্তিতে ছিলেন। মাঝরাতে যাত্রা বাতিল হওয়ায় শিশু, বৃদ্ধসহ নানা বয়সী যাত্রীরা বিপদে পড়ে যান।
ব্রেক করার পর কত দূর যাবে, সেটা নির্ভর করে ট্রেনের গতি, ধরন ও বগির সংখ্যার ওপর। বাস-ট্রাকের মতো তাৎক্ষণিক ট্রেন থামানো যায় না, বলছেন রেলওয়ের কর্মকর্তারা।
অটোরিকশাটি ট্রেনের সামনের অংশে আটকে গেলে প্রায় আধা কিলোমিটার পর্যন্ত টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় ট্রেন।
“ট্রেনটি গোমদণ্ডী স্টেশন অতিক্রম করে আউটারে যাওয়ার পর হুক ভেঙে বগিটি আলাদা হয়ে যায়,” বলেন স্টেশন মাস্টার আনোয়ারুল হক।
কন্টেইনার ট্রেন উদ্ধারের জন্য আনা রিলিফ ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে অবস্থান করায় তাৎক্ষণিক উদ্ধারের কাজ শুরু করা হয়।
ঈদ ঘিরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ২৪ জুন পর্যন্ত ‘ঈদ স্পেশাল’ ট্রেন চালুর ঘোষণা রয়েছে; তবে ট্রেনটি নিয়মিত চলাচলের দাবি জানাচ্ছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
ঢাকা-কক্সবাজার পথে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ বন্ধ হওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে জিল্লুল হাকিম একথা বলেন।