০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬০ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া দুর্ঘটনার পেছনে কোম্পানি দুটির অবহেলাজনিত দায় আছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
আতঙ্কিত সহকারী পাইলট সবরওয়ালকে প্রশ্ন করেছিলেন, কেন তিনি জ্বালানি নিয়ন্ত্রণের সুইচ ‘কাট-অফ’ পজিশনে নিয়ে গেলেন।
এয়ার ইনডিয়া দুর্ঘটনার তদন্তে জ্বালানি সুইচের প্রসঙ্গ উঠে আসার পর তারা এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।
আহমেদাবাদে উড্ডয়নের পরপরই এয়ার ইনডিয়ার ড্রিমলাইনারটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। প্রাথমিক তদন্তে জ্বালানি সুইচ হঠাৎ ‘কাটঅফ’ হওয়াকে দুর্ঘটনার কারণ বলা হয়েছে। এতে ২৪১ জন যাত্রী নিহত হন।
উড়োজাহাজটি আকাশে ছিল মাত্র ৩২ সেকেন্ড।
এয়ার ইনডিয়ার ভয়াবহ দুর্ঘটনার ক্ষত এখনও স্পষ্ট, যাত্রীরা সেই ভয় আর আতঙ্ক নিয়েই পা রাখছেন উড়োজাহাজে। এর মধ্যেই ৩৬ ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করায় আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছেন যাত্রীরা।
দুর্ঘটনার তদন্ত শেষে নির্মাতা কোম্পানি রক্ষণাবেক্ষণ প্রশ্নে যেসব নির্দেশনা দেবে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
ছোট্ট নাতনিদের দেখতে লন্ডনে যাচ্ছিলেন বদরুদ্দীন, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী-শ্যালক। উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় তাদের কেউই এখন বেঁচে নেই।