০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
“হয়রানির উদ্দেশ্যে নয়, ন্যায্যতার ভিত্তিতেই কর আদায় করা সরকারের উদ্দেশ্য।”
জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং প্রশাসনে রদবদলের ধাক্কায় এডিপি বাস্তবায়নে যে ধীরগতি দেখা দিয়েছিল, তা এখনও চলছে।
“সরকারকে মোটা অঙ্কের ঋণের জোগান দিলে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়বে না। সরকার এখন উভয় সংকটে পড়েছে,” বলেন মোস্তফা কে মুজেরী।
“বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনার যে প্রস্তাবটি দেওয়া হয়েছে, এটিতে আমরা ধরে নিয়েছি একটি নির্বাচিত সরকারের সক্ষমতা অনেক বেশি,” বলেন অর্থমন্ত্রী।
“যেকোনো দেশের বিনিয়োগের পূর্বশর্ত হচ্ছে বিনিয়োগ সহায়ক অনুকূল পরিবেশ। মাঝে দেশে স্থিতিশীলতা ছিল না; অনিশ্চয়তা ছিল,” বলেন সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
শিক্ষা খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং স্বাস্থ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৮৪ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এক মাসের হিসাবে অবশ্য বাস্তবায়নের হার ৯ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে।
একক মাস হিসেবে ডিসেম্বরে খরচের হার কিছুটা বেড়েছে। গেল মাসে ব্যয় হয় বরাদ্দের ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা তার আগের ডিসেম্বরে ছিল ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ।