২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, “এই সফরের ফলে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক অগ্রগতি হয়েছে।”
ইরান যুদ্ধের সময় ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যে একে অপরের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রেখেছিল, দুই দেশের কর্মকর্তারা তা জোরের সঙ্গেই জানিয়েছেন।
ইরানে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসরায়েল হিজবুল্লাহকে সামরিকভাবে দুর্বল, সম্ভব হলে হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করে ফেলবার উদ্যোগ নেয়—যে প্রক্রিয়া যুদ্ধ বন্ধের এক মাস পরেও চলমান রয়েছে।
নেতানিয়াহু আগুন লাগালেন, ট্রাম্প পেছন থেকে বাতাস দিলেন—ইসরায়েলের ‘একদিনের বিজয়যুদ্ধ’ পরিণত হলো অনির্দিষ্ট অগ্নিপথে। ডনাল্ড ট্রাম্প কি এবার নিজেরই জ্বালানো আগুন নেভাতে আলোচনার টেবিলে ফিরছেন?
যুদ্ধের আগুনে উত্তপ্ত ‘শান্তি আলোচনা’—ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর অভিনয়ের শেষ দৃশ্য কী হতে যাচ্ছে ভেবে আতঙ্কিত বিশ্ববাসী।
এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর ইসরায়েলি বাহিনী গাজার মধ্যাঞ্চলীয় আল-বুরেইজের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে সতর্ক করে।
ইসরায়েলও ভয় পাচ্ছে যে, হিজবুল্লাহর বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে তাদের আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা- বলছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।