২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
ইতালীয় পত্রিকা ‘কোরিয়ারে দেলা সেরা’ বিমান চলাচল সংস্থাগুলোর সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এই নতুন দাবি করেছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণের মধ্যে উড়োজাহাজের ককপিটের স্পষ্ট ভয়েস রেকর্ডিং আছে বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি।
আহমেদাবাদে উড্ডয়নের পরপরই এয়ার ইনডিয়ার ড্রিমলাইনারটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। প্রাথমিক তদন্তে জ্বালানি সুইচ হঠাৎ ‘কাটঅফ’ হওয়াকে দুর্ঘটনার কারণ বলা হয়েছে। এতে ২৪১ জন যাত্রী নিহত হন।
উড়োজাহাজটি আকাশে ছিল মাত্র ৩২ সেকেন্ড।
ছোট্ট নাতনিদের দেখতে লন্ডনে যাচ্ছিলেন বদরুদ্দীন, সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী-শ্যালক। উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় তাদের কেউই এখন বেঁচে নেই।
ভারতের আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৪ জনে। মরদেহ হস্তান্তর বিলম্বিত হওয়ায় শোকাহত স্বজনদের মধ্যে বেড়েছে উৎকণ্ঠা ও ক্ষোভ।
ভারতের বহরে বোয়িং ৭৮৭ মডেলের উড়োজাহাজ রয়েছে ৩৪টি; এর মধ্যে এয়ার ইনডিয়ার ৩৩টি ও ইনডিগোর হাতে রয়েছে একটি।
ভারত সরকারের কাছ থেকে এয়ার ইনডিয়ার মালিকানা নেওয়া টাটা গ্রুপ বলেছে, তারা এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা করছে।
প্রাণে বাঁচা একমাত্র যাত্রী রমেশ বলছেন, এখনও তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না কীভাবে বেঁচে ফিরলেন।